শুধু গরমকাল নয়, শীতকালেও টক দই খাওয়া যেতে পারে। তবে ঠাণ্ডা লাগার ধাত থাকলে, কখনোই সরাসরি ফ্রিজের দই খাবেন না।
টক দই
টক দই একটি দুগ্ধজাত পণ্য যা ল্যাকটোব্যাসিলাস বুলগারিকাস এবং স্ট্রেপ্টোকক্কাস থার্মোফিলাসের মতো উপকারী ব্যাকটেরিয়া দিয়ে দুধকে গাঁজন করে তৈরি করা হয়।
আমাদের সবার প্রিয় টক দই। দারুণ জনপ্রিয় এ টক দই আমরা কমবেশি সবাই খাই। বিশেষ করে নারীরা ওজন কমাতে টক দই খেয়ে থাকেন।
কাঠফাটা গরমের এই রোজায় ইফতারে সবার প্রথমে দরকার ঠান্ডা ঠান্ডা শরবত। বরাবর আমরা লেবু অথবা রুহআফজার বানানো শরবত খেয়ে থাকি।
গরমে নিত্য ডায়েটে সঙ্গে রাখুন রায়তা, লস্যি, টক দইয়ের ছাঁচ কিংবা শুধুই এক বাটি টক দই। শরীর থেকে টক্সিন দূর করে শরীরকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে টক দই।
খানিকটা হলেও টক দই রাখুন প্রতিদিনের পাতে। এতে থাকা প্রো-বায়োটিক উপাদান শরীরের ক্ষতিকারক ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করে পরিপাকে সাহায্য করে। ফলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে।