গরমের দিনে এক বাটি টক দই শরীরকে যেমন শীতল রাখে, তেমনি এটি হজমশক্তি বাড়ানো ও অন্ত্রের স্বাস্থ্য ভালো রাখতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তবে পুষ্টিবিদরা বলছেন, টক দইয়ের স্বাদ বাড়াতে অতিরিক্ত চিনি বা লবণ মেশানোর অভ্যাস এর পুষ্টিগুণ কমিয়ে দিতে পারে।
- সিংড়ায় ৬৯ চায়না দুয়ারি জাল আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস
- * * * *
- নতজানু পররাষ্ট্রনীতির কবর রচনা করা হয়েছে: সংসদে পররাষ্ট্রমন্ত্রী
- * * * *
- গাছের ডাল কাটতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে যুবকের মৃত্যু
- * * * *
- ট্রান্সফরমার মেরামতের সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে এক কর্মীর মৃত্যু
- * * * *
- গাইবান্ধায় ২৮৭ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেপ্তার
- * * * *
টক দই
শুধু গরমকাল নয়, শীতকালেও টক দই খাওয়া যেতে পারে। তবে ঠাণ্ডা লাগার ধাত থাকলে, কখনোই সরাসরি ফ্রিজের দই খাবেন না।
টক দই একটি দুগ্ধজাত পণ্য যা ল্যাকটোব্যাসিলাস বুলগারিকাস এবং স্ট্রেপ্টোকক্কাস থার্মোফিলাসের মতো উপকারী ব্যাকটেরিয়া দিয়ে দুধকে গাঁজন করে তৈরি করা হয়।
আমাদের সবার প্রিয় টক দই। দারুণ জনপ্রিয় এ টক দই আমরা কমবেশি সবাই খাই। বিশেষ করে নারীরা ওজন কমাতে টক দই খেয়ে থাকেন।
কাঠফাটা গরমের এই রোজায় ইফতারে সবার প্রথমে দরকার ঠান্ডা ঠান্ডা শরবত। বরাবর আমরা লেবু অথবা রুহআফজার বানানো শরবত খেয়ে থাকি।
গরমে নিত্য ডায়েটে সঙ্গে রাখুন রায়তা, লস্যি, টক দইয়ের ছাঁচ কিংবা শুধুই এক বাটি টক দই। শরীর থেকে টক্সিন দূর করে শরীরকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে টক দই।
খানিকটা হলেও টক দই রাখুন প্রতিদিনের পাতে। এতে থাকা প্রো-বায়োটিক উপাদান শরীরের ক্ষতিকারক ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করে পরিপাকে সাহায্য করে। ফলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে।